Sunday, July 31, 2016

ভূতের সভা

রাত বিরেতে 
বট গাছেতে
ভূত বাছাদের
মান বাঁচাতে
গন্যি মান্যি
জ্যেষ্ঠ ভূত
বলছে হেঁকে
সভা ডেকে
ভূত সমাজের 
সমস্যা ঢের 
পায়না তারা
নিরিবিলি 
মানুষ ছানা
কিলিবিলি
মানুষ সমাজ
এগিয়ে আজ
ভূত এর ভয় 
করেছে জয়
চাই ফোবিয়া 
ভূত মিডিয়া
নেটওয়ার্ক 
ভূতের খোরাক
ফেইসবুক
বানাতে হবে
ভূত বুক
ভূত ঘেঁগো
ভেবে দেখো

Saturday, June 11, 2016

গানের তালে

গানের তালে গাছের সাড়া
ফুলের মুখে হাসি
কল কাকলি র কুহুতানে
অর্কেস্ট্রা বাঁশি
গানের তালে নদীর দুকুল
গল্প কথা বলে
নদী তার ই সাক্ষী হয়ে
আবহমান চলে
গানের তালে পাহাড় অনড়
ঝরনা বুকে নামায়
ঝংকার beats তালে
Rock Guitar বজায়

Saturday, June 4, 2016

খুদে বিজ্ঞানী আর আকাশ যান



খুদে এক বিজ্ঞানী,
স্বপ্ন তার এক খানি
আকাশেতে দেবে পাড়ি
গ্রহান্তরে খুঁজবে বাড়ী


ইচ্ছে অনেক সাধ্য কম
ভাবছে বসে লাগিয়ে দম|
যদি, গুপি বাঘার মত করে
যেথায় খুশি তালি মেরে
মহাকাশে ঘোরে ফেরে


লাগলো কাজে সেই ভেবে
সার্কিট ব্রেন বানাতে হবে
তার জুড়ে full  কম্পোস্ট
তাতে দিলে গুড় আখরোট
 দুটি ই ব্রেন ই ভাববে,
কাছা কাছি আসবে
কোথা যেতে চায় তারা
একসাথে দেবে সাড়া
ও ও ও ম শব্দতে
হুস করে -পৃথিবীটা ছাড়বে

উদ্ভট ভাবনা
তবু ভেবে দেখনা
এভাবেই খুলে যাবে
নতুন এক দিশানা





Thursday, May 5, 2016

তাল ছন্দে মিঠা নমকীন

তত তাতাম তা তাথৈ
সন্দেশ মেখে দুধ খই
তেতে কেটে ধিন ধা
ছানা মেখে মিহিদানা
ধেধে কেটে নেটে তিনি
অমৃতি লেডিকিনি
ঠাকা ধীমী ঠাকা ঝুনু
নারকেল তিল নাড়ু
টাক ডুমা ডুম ডু ডু
মতিচুর এর লাড্ডু
ধা ধিন ধা ধা তিন
সাথে দুই নমকীন
জমে যায় ক্যান্টিন
সিঙ্গাড়া আর নিমকি
তালের আর শেষ কি?

Friday, April 29, 2016

ছেলেবেলার কথা



আমাদের ছেলেবেলা
আমার খুড় তুতো বোন - পুতুল
ওর পেয়ারা গাছে দোলা
বাপরে কি দুষ্টু ছিল
আমায় একবার ঢিল মেরে
মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল
না না ও আমায় মারতে চায়নি
'ন' দাদুর বাগানে
ঢিল দিয়ে কুল পারছিল
ওটা বে কায়দায় আমার মাথায় পরেছিল
ও আমায় ভালো বাসত
পাড়ার  বন্ধুরা মারতে এলে
তাকেই তুলোধনা করে ফেলত
গরমের ছুটি তে ভারী মজা হত
সকাল সকাল পরাশুনোর পাঠ চুকিয়ে
পাড়ার বন্ধুদের জড়ো করতাম হাঁক দিয়ে
তারপর সবাই মিলে
আম পাড়া , বাংরী বেল পাড়া
ভোর বেলা কুড়িয়ে রাখা বকুল ফুল দিয়ে মালা গাঁথা
কুয়ো খোঁড়া হাছিল সেজ দাদুদের
সেই কুয়ো খোঁড়ার মাটি দিয়ে
নানা রকম পুতুল গড়া
কত গড়েছি কত ভেঙ্গেছি
তখন তো ভাবিনি কি ভাস্কর্য
কেউ তো বলেনি তখন প্রতিভা আশ্চার্য্য
গড়ার আনন্দে মেতেছি
ভাঙতেও মায়া হয়নি
এখন তো গড়তেও পারি না..
গড়া জিনিস ভাঙতেও কষ্ট


সারাদিন মাঠ বাগান ঘুরে
কালো হয়ে রোদে পুড়ে
কোনো রকমে তেল মেখে
পুকুরে দিয়েছি ঝাঁপ
বাড়ি ফিরেছি সর্বাঙ্গে কাদা মেখে
বাড়ি ফিরতেই খেয়েছি সবার বকুনি
মা বকেনি বলেছে
জ্বর  হলে কে কষ্ট পাবে ?
তুই না আমি?

দুপুরে খাওয়ার দাওয়ার পর
মা বলেছে অঙ্ক গুলো শেষ কর
স্কুল খুলবে কদিন পরে
মোটে কাটা দিন আছে পড়ে
বারান্দার তক্তপশে বসে
যখন হিমসিম খাচ্ছি অঙ্ক কষে
পাশের বাড়ির তুসি
ওদের বাড়ির জানালার পাশে
আমের আঁচার আর আমসত্ত খাচ্ছিল বসে
মনে নেই অঙ্ক ভুল হত কিনা
তবে পড়তে মোটেই ভালো লাগত না

বিকেল হলেই ভালো জামা কাপড় পরে
খেলার মাঠে খেলতে যেতাম
বউ মারি , হাডুডু, কিতকিত দানগুলি
আজকাল আর কেউ খেলেনা সেসব
খুব মজা করেছি ছোটবেলার দিনগুলি


সন্ধ্যে বেলা বাড়িতে এসে ,আবার পড়তে বাসা
পরার বইয়ের ভাঁজে গল্প বই রাখায়
জেঠুর কাছে মাথায় গান্ত্তা খাওয়া
আজ পরিষ্কার মনে আছে দিন্গলো
ওটা ছিল স্বর্ণ যুগ সুদুর অতীতে ফেলে আসা

ডুবুরি হওয়ার শখ

ডুবুরি হওয়ার শখ ছিল,তার
হাবু চন্দ্র বসাক
বাড়ি ভর্তি জমিয়েছে তাই
ডুবুরিদের পোষাক
সাঁতারে তার বেজায় ভয়
সাঁতার স্কুল যেতেন না
ভর্তি হতেন বার কয়
কিনতু জুড়ে দিতেন কান্না

(এখন)
সাঁতার পুলের পাশ দিয়ে যান
চলার পথে থমকে দাঁড়ান
চোখ বুজিয়ে স্বপ্নে বিভোর
 বুঝি দিলেন ডাইভ  জবর

ডুবুরিতে অনেক জ্ঞান
লিখে রাখেন তথ্য পান
সবাই বলেন পিঠ পিছে
জীবন তার গেলই মিছে
সাহস বিনা স্বপ্ন দেখাই সার
জীবন তাকে করে তিরস্কার






Thursday, March 24, 2016

ঋতু রাজ বসন্ত

বসন্ত যে ঋতু রাজ
সবাই তখন খোশ মেজাজ
আকাশ রাঙ্গা কৃষ্ণ চূড়ার রঙে
মন রাঙানো ছুটির রঙে
পরীক্ষার পালা শেষে
গল্প পড়ার মজলিশে
সখির সাথে গল্প নানা রঙে
বাতাস রাঙ্গা কুহুতানএ
মাঠ রাঙ্গা ওই আবীর রঙে
 রঙের খেলায় মন রাঙ্গে

Monday, March 7, 2016

পরী ১



লাল নীল সবুজ পরীদের দেশ
রঙ্গিন আকাশ  রঙ্গিন পরিবেশ
চাঁদ নয় মঙ্গল নয়
অন্য কোথাও
গান হয়ে যায় সেথায় যদি
কথা কও
বেশ বেশ বেশ
সে যে পরীদের দেশ



প্রজাপতি নেই মৌমাছি নেই,
বাঘ ভাল্লুক তাও তো নেই
পাখিরা সব হেঁটে বেড়ায়
ডানায় তাদের বল নেই
সুশ্রী গাছ সুগন্ধ ছড়ায়
ফুলের আর কাজ কি তায়
আহা বেশ বেশ বেশ
সে যে পরীদের দেশ



দিনে জ্বলে লাল আলো
আর রাতে সবুজ আলো
এই আলোতে সবাই ভালো
কথাওকোনো  নেইকো কালো
আহা বেশ বেশ বেশ
এত মাজার পরীর দেশ







ট্যাবলেট



এই দেখো ট্যাবলেট
       ক্লাম্প কেস এ হাতে
যত খুশি লিখে ফেল
      যা যা আছে মনেতে
লাগে নত পৃষ্ঠা
       লাগে না তো কালি
ইরেজার ছাড়াই
         ভুল মুছে ফেলি


বুঝেছকি তোমরা ?
        কাকে বলে ট্যাবলেট
উত্তর পাই আমি
          আমরা কি গবেট !


সত্তি তো তোমরা
              আমাদের থেকে
অনেক ই বেশি বোঝো
              টিভি দেখে দেখে



বাবা বলে এনে দেব
                    সকালের জন্য
দিদা বলে লাগে বুঝি
                    পুজোর জন্য


ছোটু বলে "আঁকা লেখা
        কত কি যে করা যায়
আমি জানি ওই টাতে
               কার্টুন ও দেখা যায়



বাবা বলে "তোমার
                  তো ডেস্কটপ আছে
ধুলো পরে key বোর্ড
                    অকেজো হয়েছে
পড়াশুনোর নাম নেই
                 কি হবে ওই ডেস্কটপ এ?
অন্কেতে ফেল হলে
                 বেছে দেব ওটাকে |

Wednesday, February 24, 2016

ছাই রঙ্গা হুলো




শালুদের পাশের বাড়িতে
এসেছে এক নতুন ভাড়াটে
ভীষণ তারা খাদ্য রসিক
ভাঁড়ার ঘরে জিনিস অধিক
সেই থেকে ইন্দুরের জ্বালায়
পাড়ায় হয়েছে টেকা দায়
কোত্থেকে এক ছাই রঙ্গা
হুলো  এলো, যার ঠাং ভাঙ্গা
উড়ে এসে ঝুড়ে বসলো
তাতেই বেশ কাজ হলো
নেংটি এবং গেছো ইন্দুর
পাড়া ছেড়ে দিল দউড়
কেমনে এটা হলো বল?
হুলোর গায়ে গন্ধ ছিল|


Wednesday, January 27, 2016

বন্যা

বন্যায় ভেসে গেল,
চেন্নাই চেন্নাই
চারিদিকে জল থৈ,
খানা নেই পিনা নেই

হুস হুস জল ওঠে
কথা যাবি পালা রে
রাতারাতি জল বাড়ে
উঁচু বাড়ি খোঁজ রে

ডাঙাতে যে মাছ ওঠে
ব্রিজ ভেঙ্গে পড়ে রে
স্কুল টুল বন্ধ
এত ভারী মজা রে

মজা নয় মজা নয়
বিপত্তি বটে
সাত দিন বিদ্যুত
ছিল না কো মোটে
রাস্তায় "oলা" বোট
চারদিক ঘুঁট ঘুঁটে

কত্তুরপুরামের বস্তি
জলে চলে কাস্তি
রিপোর্টার অগস্তি
পায় নাক সস্তি
কত লোক মারা গেছে
আগে কেন আসেনি
এত বাজে অবস্থা
কেউ তো তা ভাবেনি


আমাদের পাড়াতে
এসেছিল কিছু লোকে
জেনারেটর  লাগাতে
সক লেগে বিদ্যুতে
গেছে পরলোকেতে
ভেবে আমি ভয়েতে
সব আলো নিভিয়ে
বসেছিলাম ঘরেতে
স্নান নেই খাওয়া নেই
কাটা দিন যা তা গেল
দিন ক্ষন কাল গেল
মাস খান পেরোলো


তাম্বারামের নন্দকিশোর
হারিয়েছে তার  ঘর দোর্
অনেকেই তো পালিয়েছে
ঘর ছেড়ে প্রাণে বেঁচেছে
নন্দ কিশোর  করেনি তা
যোগাড় করে মোটর কটা
করেছেন খাবার বাঁটা
উনিই হলেন সত্যি  হিরো
শুরু করেছেন থেকে জিরো
ধন্য তাহার মনের জোর
বানাচ্ছেন নতুন   দোর্

Monday, January 4, 2016

হুলো আর কাক


মালিনীর এক বন্ধু ছিলো |
বেজায় কালো,
লেজ মোটা এক হুলো |
পাশের বাড়ির সরু পাঁচিলে
হাঁটছিলো সে দুলে দুলে,
কোত্থেকে এক কুচকুচে কাক
ঠুকরে দিল হুলোর নাক |
হুলো  টা বড়  বজ্জাত,
কোথাও না পালাতে পেরে -
অবশেষে কাকের ঠক্করে
হয়েছে বেশ কুপোকাত  |
ছাত থেকে
দৃশ্য দেখে,
শালু আর ছুটি
তারা হেঁসেই লুটোপুটি |
আলোচনার বস্তু এখন,
কাকের কেন  রাগ ?
হয়ত হুলো বসিয়েছিল
খাবারে তার ভাগ -
হয়ত বা সে খেয়েছিল
ওই কাকেরই ছানা !
হুলো টা তো ভীষন খারাপ
কিছুই বলা যায় না |